七月宣言()是孟加拉国对七月革命的官方承认文件。该文件的最终版本由首席顧問穆罕默德·尤努斯在2025年8月5日,即革命一周年纪念日正式发布。该宣言在严格保密下起草,共列出了28项与改革该国政治、宪政和治理状况相关的要点。
该文件明确否定了孟加拉国人民联盟政府时期的政治架构,主张进行宪法重构和长期民主改革。根据文件内容,该宣言在法律意义上被追溯至2024年8月5日起即生效。2025年8月5日,即革命一周年纪念日时,该文件由穆罕默德·尤努斯于国民议会厅前正式宣读。
各政党之间仍对宣言内容的法律意义以及是否应将其纳入国家宪法存在分歧。如果最终达成共识,该宣言预计将成为对革命的宪制性承认。
历史
在孟加拉国人民联盟政府后,反歧视学生运动与宣布将就此次革命发布一份政治宣言。2024年12月29日,他们正式宣布将于12月31日发布该宣言。在发布会上,表示,这份宣言旨在使人民联盟——他将其比作纳粹政权——“退出历史舞台”,并象征性地“埋葬”1972年宪法。尽管政府最初并未参与,但后来也加入了这一倡议,各政党与改革委员会之间就治理相关提案展开了讨论;和的起草工作与之同步推进。
2025年7月初,宣言的初稿完成,并征求了孟加拉國民族主義黨、孟加拉国伊斯兰大会和的反馈意见。
8月5日,穆罕默德·尤努斯在国民议会厅南广场宣读了这份宣言。
全文
{{Verse translation
| head1= -{孟加拉文}-
| lang = bn
| italicsoff = 1
| italicsoff2 = 1
| rtl1 =
|
১। যেহেতু উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল; এবং
২। যেহেতু বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে; এবং
৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নপদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ন করেছিল; এবং
৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এবং মত প্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মত প্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়; এবং
৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ ইং সনে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এবং
৬। যেহেতু দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১-এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়; এবং
৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এবং একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়; এবং
৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করে; এবং
৯। যেহেতু হাসিনা সরকারের আমলে তাঁরই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে; এবং
১০। যেহেতু তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে; এবং
১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ষোলো বছর যাবৎ নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়; এবং
১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে; এবং
১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪–এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এ দেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে; এবং
১৪। যেহেতু আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারি চাকরিতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকরিপ্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়; এবং
১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সকল বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়; এবং
১৬। যেহেতু সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যার ফলে সারা দেশে দল-মতনির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়; এবং
১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচার হত্যা করে, অগণিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে; এবং
১৮। যেহেতু অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনরত সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সকল শ্রেণি, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়; এবং
১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসংগত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত; এবং
২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়; এবং
২১। যেহেতু বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়; এবং
২২। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে; এবং
২৩। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ বিগত ষোলো বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামকালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সকল ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধসমূহের দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে; এবং
২৪। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে। এবং
২৫। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে। এবং
২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ুসহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে। এবং
২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে। এবং
২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।
| head2 = 中文翻译
| lang2 = zh
|
#鉴于在长期的反殖民斗争中,这片土地的人民在二十三年间坚决抵抗巴基斯坦独裁者的剥削与压迫,并在面对滥杀无辜之暴行时掀起全民抗争,于1971年3月26日庄严宣布独立,通过血腥的民族解放战争建立了孟加拉国;又
#鉴于孟加拉国人民在长期的运动与斗争中,为实现中所昭示的平等、人类尊严与社会公正之理想,怀抱建立一个开明代议制国家的愿景,并为此付出了最为沉重的牺牲;又
#鉴于独立后1972年孟加拉国宪法的在制定程序、结构设计及适用上的缺陷,导致独立后的孟加拉国人民联盟政府未能兑现为人民而进行的解放战争之愿望,反而削弱了民主和国家机构的效能;又
#鉴于独立后人民联盟政府悖离民主治国原则,以“”之名建立了宪制性的一党专政,剥夺言论自由与司法独立;其结果引发1975年11月7日的,并由此为废除一党巴克沙尔体制、恢复多党民主、言论自由与司法独立奠定了基础;又
#鉴于在八十年代,反对的持续斗争中,学生与民众经过近九年的不懈抗争,于1990年爆发了,并于1991年恢复了议会制代议民主制度;又
#鉴于国内外阴谋干扰政府更替的民主程序,所谓“1·11”政治干预为谢赫·哈西娜在孟加拉国建立一言堂的权力与法西斯化统治铺平了道路;又
#鉴于过去十六年中,其为建立法西斯性、反民主、反民众之统治,并实现一党专制的极端企图,宪法遭受非法且不民主之篡改,从而为一党专权与霸权的确立开辟了道路;又
#鉴于谢赫·哈西娜领导的人民联盟政府以暴政、失踪、谋杀、法外处决、剥夺言论自由为手段,并为一党私利而随意修改宪法,致使国家与宪制机构遭到全面摧毁;又
#鉴于在哈西娜政府执政期间,形成了一股极端反民众、专制独裁并践踏人权之势力,使孟加拉国蜕变为法西斯化、黑帮化与濒临失败的国家,从而严重损害了国际形象;又
#鉴于在所谓“发展”旗号下,谢赫·哈西娜领导下的极权统治伴随无节制的腐败、银行洗劫、洗钱以及对经济机构的系统性破坏,致使堕落且贪腐的人民联盟政府严重摧毁了孟加拉国及其巨大经济潜力,并危及本国环境、生物多样性与气候安全;又
#鉴于在过去十六年中,政治党派、学生与工人组织以及社会各阶层人民持续进行民主斗争,却接连遭受监禁、迫害、袭击、起诉、强迫失踪、谋杀以及法外处决;又
#鉴于在孟加拉国,人民为反对他国不正当的统治、剥削与干预而发起的正当抗争,遭到人民联盟政府充当外国走狗,以残酷武力予以镇压;又
#鉴于人民联盟政府为非法延续其统治,在三次作秀式选举(2014年、2018年与2024年国会选举)中剥夺了国民的选举权与代表性;又
#鉴于在人民联盟执政期间,持不同政见的政治人士、学生与青年遭到残酷迫害,且因政府在公职任用上的一党垄断与,激起学生、求职者与公民的强烈愤慨;又
#鉴于对反对党与组织的长期镇压激起了广泛民愤,人民遂通过一切合法途径持续开展反法西斯斗争;又
#鉴于在为废除并反对腐败而斗争的学生运动期间,人民联盟政府进行了大规模镇压、野蛮虐待并实施反人类的杀戮,致使全国范围内学生与民众跨党派掀起抗议并演变为人民起义;又
#鉴于在反法西斯势力的不可阻挡之起义中,各政党、宗教、社会、文化、工会及各界群众广泛参与,而人民联盟法西斯势力在街头对包括妇女儿童在内的近千民众实施无差别屠杀,造成无数人残疾与失明;在运动的最终阶段,军队亦向人民的民主斗争提供支持;又
#鉴于为推翻非法政权、废除法西斯体制并确立新的政治秩序,反歧视学生运动发起的不合作运动得到民众响应,随即于8月5日组织前往达卡的长征;在反法西斯运动中,所有政治党派、学生与民众及各阶层群众迸发出强烈抗议浪潮,最终在奔向的汹涌群众下,法西斯首脑谢赫·哈西娜于2024年8月5日被迫辞职并逃离本国;又
#鉴于通过人民起义确认并实践人民主权,具有政治与法律上的正当性与合法性,并获国际社会承认;又
#鉴于应人民要求,非法的随即解散,并根据宪法第106条及最高法院意见,于2024年8月8日由穆罕默德·尤努斯博士领导成立;又
#鉴于通过学生与民众的起义,来自各阶层的人民热切表达了建设一个不容法西斯、不容歧视、不容腐败的社会与国家的意志;又
#鉴于孟加拉国人民以合法程序表达了对现行宪法及一切国家与宪制机构进行民主改革的意愿,以确保良治与公正选举,防止法西斯统治重演,维护法治,并保障经济与社会正义;又
#鉴于孟加拉国人民在过去十六年持续的反法西斯运动与斗争期间及2024年7月人民起义期间,坚决要求对被指控由法西斯性质的人民联盟政府实施的强迫失踪、谋杀、屠杀、种族灭绝、危害人类罪以及一切形式的虐待、迫害与国家财产掠夺等罪行,予以迅速并适当的审判;又
#鉴于孟加拉国人民将2024年7月人民起义中的所有烈士宣布为国家英雄,并表示愿为烈士家属、受伤战士及参与运动的学生群体提供一切必要的法律保护;又
#鉴于孟加拉国人民意在通过在适当时限内举行一场自由、公正、透明的选举产生新一届国会,并通过承诺的必要宪制改革,依照国民、特别是青年一代的愿望,确立法治与人权,建设无腐败、无剥削、无歧视且具民主价值观的社会与民主国家体制;又
#鉴于孟加拉国人民期望通过一项兼顾环境与气候适应性的包容性与可持续发展战略,保障当代及子孙后代的权利;又
#鉴于孟加拉国人民表示,须对2024年学生-人民起义给予适当的国家与宪制性承认,并在随后由选举产生的政府所修订之宪法章程中,将本宣言纳入;故
#特此制定本宣言,以昭示2024年8月5日人民起义胜利后孟加拉国人民的共同愿望。
}}
反应
孟加拉民族主义党领袖表示支持这一宣言,并指出其根植于人民的主权权力,代表了最高形式的国家共识,甚至超越了法律约束的范畴。伊斯兰大会副领导人则强调,应在共识基础上建立法律框架,并警告说,如果没有这一框架,该宣言将无法取得有意义的成果。
虽然大多数政党对《七月宪章》表示欢迎,但也有一些政党表示反对。伊斯兰大会和保卫伊斯兰联盟等伊斯兰主义组织对宣言未提及人民联盟执政期间非法逮捕、杀害和折磨伊斯兰学者和宗教学校学生的行为(包括)表示失望。国家公民党书记批评宣言草案“不成熟”。党主席则指责政府在起草过程中排除其他利益相关方,仅将草案发送给三个政党,认为这种选择性接触具有歧视性,并要求政府对此作出合理解释。
英国记者质疑该宣言的中立性,指出宣言的大部分内容只提及了人民联盟政权的负面和专制面貌,而没有提及该政权的积极一面,例如经济增长、女性教育水平的改善、基础设施建设及应对气候变化方面的贡献等。他还批评文件中存在与孟加拉国历史相关的错误和否定。不过,他也肯定了宣言对孟加拉国解放战争的尊重,并赞赏其对革命、暴力和公众诉求的真实描绘。他同时指出,将尤努斯的名字列入该文件可能会损害其正面形象。
参见
- 2024年孟加拉国公职配额改革运动
- 七月革命的后果 (孟加拉国)
*
*
参考文献
评论 (0)